April 6, 2026, 3:07 pm

সংবাদ শিরোনাম
রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬

সীমান্তে ১ হাজার পরিবারকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র ত্রাণ সহায়তা

হাবিব সরোয়ার আজাদঃ

mostbet

বৈশ্বিক মহামারী করেনা ভাইরাসে সুনামগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের পাশে দাড়িয়েছে বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ (বিজিবি)।
২৮- বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি) সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী তাহিরপুরসহ ৬ সীমান্তের উপজেলায় ১০০০ হাজার পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে।
শনিবার জেলার তাহিরপুরের সীমান্তবর্তী লাউড়েরগড়,চাঁনপুর,টেকেরঘাট এলাকায় সুবিধাবঞ্জিত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করেন বিজিবি সিলেট সেক্টরের উপ মহাপরিচালক (সেক্টর কমান্ডার) কর্ণেল মাহমুদ মাওলা ডন এএফউব্লিউসি,পিএসসি,২৮-বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি) সুনামগঞ্জ অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. মাকসুদুল আলম।,
শনিবার ও এর শুক্রবার, বৃহস্পতিবার ব্যাটালিয়নের দোয়ারাবাজার,সুনামগঞ্জসদর,দক্ষিণ সুনামগঞ্জ,বিশ্বম্ভরপুর,তাহিরপুর ও ধর্মপাশার মধ্যনগর সীমান্ত এলাকার ১৯টি বিওপির বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করা হয়।
শনিবার ২৮-বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি) সুনামগঞ্জ অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. মাকসুদুল আলম জানান, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন হতে প্রাপ্ত ১১ মেট্রিকটন খাদ্য সামগ্রী জেলার ৬টি উপজেলার ১০০০ হাজার সহায়তাপ্রাপ্ত প্রতিটি পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল,আটা, ছোলা, লবন ও ভোজ্য তৈল বিরতণ করা হয়েছে।
উল্ল্যেখ যে, সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত কোন কোন সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের সদস্যদের বিজিবি অধিনায়ক, ক্যাম্প কমান্ডার, কোম্পানী কমান্ডার ও বিজিবি সৈনিক গণ নিজেরাই কাঁধে বয়ে বাড়ি অবধি ত্রাণ সহায়তা পৌছে দেন শুক্রবার ও বৃহস্পতিবার গভীর রাতে।
এসব ত্রাণ সহায়তা বিতরণকালে ব্যাটালিয়নের মেডিক্যাল অফিসার ক্যাপ্টেন আশিক,কোয়ার্টার মাষ্টার, সংশিষ্ট কোম্পানীর কোম্পানী কামান্ডার, বিওপি কমান্ডার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীগণ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
দু’সহোদর পরিবারের সংঘর্ষে স্কুল শিক্ষার্থী সহ আহত ১০
হাবিব সরোয়ার আজাদঃ

পৈতৃক সম্পক্তি দখলের জের ও আম পাড়াকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে দু’সহোদর পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষে বসতবাড়ি ভাংচুর নারী পুরুষ স্কুল শিক্ষার্থী সহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার রাতে গুরুতর আহত উভয় পরিবারের ৫ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এরপুর্বে শুক্রবার বিকেলে উপজেলার উওর শ্রীপুর ইউনিয়নের সোনাপুর পশ্চিম পাড়ায় ওই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে।
শুক্রবার রাতে উপজেলার বাগলী ও সোনাপুর গ্রামের একাধিক বাসিন্দাদের সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার সোনাপুর গ্রামের মৃত ভাজন আলীর বড় ছেলে খোকা সর্দার ও ছোট ছেলে রোকন সর্দারের মধ্যে পৈতৃক সম্পক্তি নিয়ে গত একযুগ ধরে পুর্ব বিরোধ চলে আসছিলো।
শুক্রবার বিকেলে বিরোধপূর্ণ সোনাপুর পশ্চিম পাড়ার পৈতৃক বসত বাড়ি একটি আম গাছ হতে পূর্ব পাড়ায় থাকা রোকনের এক কিশোরী কন্যা ও অপর কিশোরী ভাতিজী আম পাড়তে যায়। এদিকে খোকা সর্দার আম পাড়তে নিষেদ করলে বাড়ি ফিরে ওই দুই কিশোরী বাড়ি ফিরে বিষয়টি রোকন সর্দার ও পরিবারের লোকজনের নিকট নালিস করেন।
ক্ষিপ্ত হয়ে রোকন ও তার পরিবারের আম পাড়তে নিষেদের কারন জানতে পশ্চিম পাড়ায় পৈতৃক বসতবাড়িতে গেলে উভয় পরিবারে লোকজন কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়েন।,
সংঘর্ষে রোকন সর্দার, তার স্ত্রী সমলা বেগম, তৃতীয় শ্রেণিতে পড়–য়া শিশু পুত্র সুমন, ৭ম শ্রেণিতে পড়–য়া কিশোরী কন্যা রুবিনা আক্তার, সহোদর ছোট ভাই খসরু মিয়া, তার স্ত্রী জুলেখা বেগম, তাদের কিশোরী কন্যা ইয়াসমীনা বেগম আহত হন।
অপরদিকে খোকা সর্দারের পরিবারের আহতরা হলেন, খোকার ছেলে বাচ্চু মিয়া, খোকার অপর ছেলের স্ত্রী শারমিন বেগম, খোকার ৭ম শ্রেণিতে পড়–য়া কিশোরী কন্যা সাবিনা বেগম।
আহতদের মধ্যে আংশকাজনক অবস্থায় রোকন ও তার শিশু পুত্র সুমনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও খোকার ছেলে বাচ্চু, কিশোরী কন্যা সাবিনা ও পুত্রবধু শারমিনকে শুক্রবার রাতেই তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার উপজেলার সোনাপুর পূর্বপাড়ার রোকন সর্দার জানান, আমার বড়ভাই খোকা সর্দার আমাদের দুই ভাই ও চার বোনকে পৈতৃক সম্পক্তি সহ প্রায় ১০ কেদার (৩০শতকে এক কেদার) সম্পক্তি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন ২০০৮ সাল হতে। শুক্রবার পৈতৃক ভিটায় রেখে আসা বসতবাড়ি ভাংচুরের খবর পেয়ে বাঁধা দিতে গেলে তার পরিবারের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে ও রামদা দিয়ে কুপিয়ে আমাদেরকে রক্ষার্থ জখম করে।,
উপজেলার সোনাপুর পশ্চিম পাড়ার খোকা সর্দারের নিকট এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার চাচার নিকট হতে ক্রয় সুত্রে আমার বসতবাড়ির অংশে আমার ছোট ভাই রোকন অন্য ভাইবোনদের নিয়ে নিজেদের ওয়ারিশ দাবি করে নিজেরা বিরোধে জড়িয়ে পৈতৃক ১০ কেদার জমি পতিত রেখে গ্রামের পুর্ব পাড়ায় বসতবাড়ি তৈরী করে বিগত কয়েক বছর ধরে বসবাস করে আসছে,আমি পৈতৃক কোন সম্পক্তি দখল করিনি। তিনি আরো বলেন, আম পাড়তে নিষেধ করায় শুক্রবার বিকেলে রোকন তার পরিবারের লোকজন নিয়ে এসে আমার বাড়িতে এসে আমার পরিবারের লোকজনকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। পরে খবর পেয়ে আমি বাগলী বাজার হতে বাড়ি ফিরে তাদের রেখে যাওয়া একটি পতিত ঘর ভাংচুর করেছি।,
শনিবার জানতে চাইলে তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান বলেন, লোকমুখে সংঘর্ষের বিষয়টি জেনেছি, উভয় পক্ষের নিকট হতে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/ ১০ মে ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর